রাজশাহীর তানোরে ক্লুলেস দস্যুতা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি সহ লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করে প্রশংসায় পাচ্ছেন তানোর থানা পুলিশ। জানা গেছে, রাজশাহী পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজের তত্ত্বাবধানে মুন্ডুমালা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম মামলাটি দীর্ঘদিন তদন্ত করে উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছেন।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)এসএম মাসুদ পারভেজের দিকনির্দেশনায় মুন্ডুমালা তদন্তকেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) শফিকুল ইসলাম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তানোর পৌর সদরের কুঠিপাড়া গ্রামের বুলবুল প্রামানিক (২৭) ও ময়েনপুর বটতলা গ্রামের আব্দুল মান্নানের পুত্র জাহিদ হাসান হৃদয়(২২) নামের দুইজন কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামিদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জড়িত অন্যান্য আসামিদের সনাক্তকরণ ও লুন্ঠিত টাকা উদ্ধারের প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে।
প্রসঙ্গত,বিগত ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর রাতে বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) শিমুলতলা মোড়ে অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জন ছিনতাইকারী বিকাশ ব্যবসায়ী নাসিরের(৪৪) পথ গতিরোধ করে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও একটি (অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ঙহব ঢ়ষঁং ঘড়ৎফ ঈঊ ৫এ) যার আনুমানিক মূল্য ৩৫ হাজার টাকা ছিনতাই করেন। এঘটনায় ভিকটিম নাসিরের পিতা মফিজুল হকের অভিযোগের ভিত্তিতে তানোর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। যার মামলা নম্বর ১৩।
এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, ক্লুলেস এ ঘটনায় পুলিশ সুপার (এসপি) মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় দীর্ঘ সময় তদন্ত শেষে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে আসামিদের শনাক্ত ও আটক করা হয়।
তিনি বলেন, আটককৃত আসামিদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্তকরণ ও লুন্ঠিত টাকা উদ্ধারের প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে। তানোর থানাকে মাদক সন্ত্রাস, চুরি ছিনতাই থেকে মুক্ত রাখতে প্রতিনিয়ত অভিযান অব্যহত থাকবে।