গবেষণা বলছে, বাবা-মা ধূমপানে আসক্ত থাকলে তাদের সন্তানদেরও ভবিষ্যতে একই অভ্যাসে জড়ানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ডা. ফারহীন মনে করেন, ‘আসক্তি থেকে বের হওয়া কঠিন, তবে সহায়তা ও ইচ্ছাশক্তি থাকলে তা সম্ভব। চিকিৎসা সহায়তা ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ তৈরি এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।’
ধূমপান বা ভ্যাপিং অনেকের কাছে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত মনে হলেও এর প্রভাব বহুদূর পর্যন্ত পৌঁছায়। মায়ের ক্ষেত্রে এটি জটিল গর্ভধারণ ডেকে আনে, আর শিশুর ক্ষেত্রে জীবন শুরু হওয়ার আগেই সংগ্রামের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসকদের মতে, ধূমপান ছাড়ার সিদ্ধান্ত কেবল একজনকে নয়- প্রজন্মের পর প্রজন্মকে রক্ষা করতে পারে।