বাংলাদেশ, রবিবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৬

এসএসসির প্রশ্ন কাঠামোতে পরিবর্তন এনে নির্দেশনা জারি

NewsPaper

স্বদেশ বানী ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ

Bangla Today News

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজনে বড় পরিবর্তন এনেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

রোববার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে ২০২৬ সাল থেকে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বাংলা ২য় পত্র, আইসিটি এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো সংশোধন করা হয়েছে।

বাংলা ২য় পত্রে পরিবর্তন

নতুন কাঠামো অনুযায়ী বাংলা ২য় পত্রের রচনামূলক অংশের অনুবাদ অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে। অনুবাদের জন্য আগে বরাদ্দ ১০ নম্বর এখন সংবাদ প্রতিবেদন অংশে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে সংবাদ প্রতিবেদনের গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের ভাষা প্রয়োগে দক্ষতা যাচাইয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আইসিটি বিষয়ের পরিবর্তন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো থেকেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন বাদ দেওয়া হয়েছে এবং ওই ১০ নম্বর বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) অংশে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে আইসিটি বিষয়ের এমসিকিউ অংশের মোট নম্বর ১৫ থেকে বেড়ে ২৫ হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের ধারণাগত জ্ঞান যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ফিন্যান্স ও ব্যাংকিংয়ে নতুন কাঠামো

ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ফিন্যান্স অংশ থেকে ৮টি এবং ব্যাংকিং অংশ থেকে ৭টি- মোট ১৫টি সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন থাকবে। পরীক্ষার্থীদের যেকোনো একটি বিভাগ থেকে ন্যূনতম ৪টি প্রশ্নসহ মোট ১০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এতে শিক্ষার্থীরা উভয় বিভাগের প্রাথমিক ধারণা অর্জনে উৎসাহিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচনি পরীক্ষাতেও কার্যকর

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পাশাপাশি দশম শ্রেণির নির্বাচনি পরীক্ষায়ও এই নতুন প্রশ্ন কাঠামো এবং নম্বর বিভাজন অনুসরণ করতে হবে। বিষয়টি ‘অতীব জরুরি’ বলে উল্লেখ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এই পরিবর্তনের ফলে পরীক্ষার্থীরা মুখস্থ নির্ভরতা থেকে সরে এসে ব্যবহারিক ও বিশ্লেষণমূলক শিক্ষায় আগ্রহী হবে।