বাংলাদেশ, সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২৬
logo

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট


স্বদেশ বানী ডেস্ক published:  ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৩ পিএম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় বহাল রাখার আর্জি জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাদ্দাম হোসেনসহ ৭ আইনজীবী জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সোমবার (২০ এপ্রিল) এ রিট দায়ের করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির রিটের পক্ষে শুনানি করবেন।

এর আগে গত ৯ এপ্রিল বিরোধী দলের আপত্তি সত্ত্বেও  ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৬’ রহিতকরণ বিল পাস হয়েছে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগ ও মানবাধিকার কমিশন সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিলও পাস করা হয়েছে। 

গত ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে চলমান অধিবেশনে এ বিল পাস হয়।

এর আগে গত ৬ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ বাতিলের লক্ষ্যে সংসদে বিল উত্থাপন করা হয়।

৬ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিচারক নিয়োগের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল করতে জাতীয় সংসদে বিল তোলা হয়।

এ ছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করতে অন্তর্বর্তী সরকারের করা অধ্যাদেশ বাতিল করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলন করতে আরেকটি বিল আনা হয়।

ওইদিন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জাতীয় সংসদে পৃথকভাবে ওই তিনটি বিল উত্থাপন করেন। বিল তিনটি নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়।

বিলগুলো হলো, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল।

এ অধ্যাদেশগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে বিরোধীদলের আপত্তি ছিল।