বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি published: ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৯:৩২ পিএম

রাজশাহীর বাঘায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে সমাবেশ শেষে আনন্দ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক,রাজশাহী-৬ চারঘাট-বাঘা) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আবু সাঈদ চাঁদ।
সমাবেশে বক্তব্যকালে চাঁদ বলেন- দেশের সংকট মূহুর্তে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেছিল। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে সংসদে বিসমিল্লাহ হিররহমানির রাহিম প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দেশে গনতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন। বিগত বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার সেই গনতন্ত্রকে হরন করেছে। বিএনপির চেয়ারপারসন, সাবেক প্রানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নের্তৃত্বে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারে লড়াই সংগ্রাম করেছে বিএনপি। তৃণমূল নেতা কর্মী আছে বলেই ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করতে পেরেছে।
নেতা কর্মীদের বলেন,প্রতিষ্ঠাবার্ষীকীতে আমাদের শপথ নিতে হবে ঐক্যে মতের ভিত্তিতে তারুন্যের অহংকার তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই। বিএনপি ক্ষমতার রাজনীতি করেননি। মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে রাজনীতি করে। আগামীতে শ্রেণী পেশার সকল মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের রাষ্ট ক্ষমতায় আসবে বিএনপি।
জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে চাঁদ বলেন, খালেদা জিয়া আপনাদের ২২টি সিট উপহার দিয়েছিল। জনগন আপনাদের প্রত্যাখান করেছে বলেই মাত্র ৩টি সিট পেয়ে সংসদে গিয়েছেন। এখনও কোন চক্রান্ত করে কাজ হবেনা। চ্যালেন্স ছুড়ে দিয়ে বলেন আগামীতে আপনারা ৩টা সিটও পাবেননা।
বৃহসপতিবার(০৪-০৯-২০২৫) বিকেল সাড়ে ৫টায় বাঘা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফকরুল হাসান বাবলুর সভাপতিত্বে ও বাঘা পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক তফিকুল ইসলাম তফির সঞ্চালনায় সমাবেশ শেষে বর্ণ্যাঢ্য আনন্দ র্যালি বাঘা পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে নারায়নপুর বাজার প্রদক্ষীন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি ,সাবেক পৌর মেয়র জাকিরুল ইসলাম বিকুল,বাঘা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশরাফ আলী মলিন,সাবেক সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুখলেছুর রহমান মুকুল,বাঘা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ, বিএনপির নেতা সুরুজ, চারঘাট উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, বাজুবাঘা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এ্যাড.ফিরোজ আহমেদ রনজু, গড়গড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এমদাদুল হক,সাবেক সভাপতি মাসুদ করিম টিপু, পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক কাদের মোল্লা,মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হেলাল উদ্দীন রিয়াল, সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ মুকুল, বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম,চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক জগলু শিকদার, সাবেক দপ্তর সম্পাদক জালাল উদ্দীন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আফাজ উদ্দীন, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সালে আহমেদ সালাম,রাজশাহী জেলা যুবদলের সদস্য,উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম শফি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক এসএম সালাউদ্দীন আহমেদ শামীম সরকার, বিএনপির ফিরোজ মন্ডল,রবিউল মেম্বর, মাহবুব আলম জনি, যুবদলের তানভীর ফয়সাল তুর্য,উপজেলা ছাত্র দলের আহ্বায়ক সেলিম রেজাসহ উপজেলার ২টি পৌরসভার ও ৭টি ইউনিয়ন বিএনপি এবং সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতৃৃবৃন্দ।