বাংলাদেশ, শনিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৬
logo

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর শতবর্ষী বৃদ্ধের পাশে বিএনপি নেতা এম এ মতীন


মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি published:  ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০২:১২ পিএম

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর শতবর্ষী বৃদ্ধের পাশে বিএনপি নেতা এম এ মতীন

নওগাঁর মান্দা উপজেলার লক্ষীরামপুর গ্রামের শতবর্ষী বৃদ্ধার কষ্টে জীবন যাপনের সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর গত শনিবার মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মতীন লক্ষ্মীরামপুর গ্রামে গিয়ে তফের মণ্ডলের জীবনযাত্রা প্রত্যক্ষ করেন। এরপরই তিনি বৃদ্ধের জন্য একটি সেমি পাকা ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন। 

রবিবার(৩১আগস্ট) আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। 

শুধু ঘর নির্মাণ নয়, বৃদ্ধা তফের মণ্ডলের খাবার, চিকিৎসা সহ যাবতীয় ব্যয়ভার বহনের প্রতিশ্রুতিও দেন বিএনপির এই নেতা।

তফের মণ্ডল জানান, জীবিকার তাগিদে তার ৮ ছেলে বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করেন। স্ত্রী মারা গেছেন বহু আগেই। সেবাযত্ন করার মতো কেউ পাশে নেই। একসময় ছোট ছেলে আয়নালের বাড়িতে থাকলেও পুত্রবধূর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় সেই আশ্রয়ও হারাতে হয় তাকে। এখন রাস্তার ধারে একটি অন্ধকার ঘরে একাকী দিন কাটাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন ভ্যানে চড়ে পাশের বানডুবি বাজারের একটি হোটেলে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করি। এভাবেই জীবন চলছে, আর মৃত্যুর প্রহর গুনছি। হঠাৎ বিএনপির নেতা মতীন আমার বাড়িতে এসে আমার অবস্থা দেখে ঘর করে দিচ্ছেন, খাবারের ব্যবস্থাও করছেন। এমনকি চিকিৎসাও করিয়ে দেবেন বলেছেন।

ভালাইন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পরই উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতীন নিজ উদ্যোগে এই সহায়তার ব্যবস্থা করেন। তার মানবিকতায় মান্দা‌বাসী গর্বিত।

এবিষয়ে বিএনপি নেতা এম এ মতীন বলেন,ফেসবুক ও সংবাদ মাধ্যমে বৃদ্ধ তফের মণ্ডলের মানবেতর জীবন যাপনের খবর দেখে আমি গভীরভাবে মর্মাহত হই। সঙ্গে সঙ্গে তার কাছে গিয়ে তার জীবনযাত্রা দেখে ঘর করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

বৃদ্ধা ত্বকের মন্ডল যতদিন বেঁচে থাকবেন, তার সব খরচ আমি বহন করব। এটি আমার দায়িত্ব ও মানবিক কর্তব্য বলে মনে করি, আমি মান্দাবাসীর সুখে-দুখে পাশে আছি থাকব। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।